মাদারগঞ্জ ০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম ::
Logo Coronavirus disease 2019 Logo স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও মেলেনি রাস্তা, সড়কে ধানের চারা লাগিয়ে অভিনব প্রতিবাদ Logo মাদারগঞ্জের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি স্বজনদের Logo সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা- মোসলেমাবাদ মুসল্লিবাড়ির রাস্তায় জনদুর্ভোগ Logo ১৮ ঘণ্টার লোডশেডিংয়ে মাদারগঞ্জ বিপর্যস্ত, স্থবির জনজীবন Logo ‎সেতুর অভাবে পূর্ণতা পাচ্ছে না মাদারগঞ্জের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র মোসলেমাবাদ মেট্রো সড়ক Logo চলচ্চিত্র সাংবাদিক চির কুমার আসলাম ইকবাল বাদলের মৃত্যু Logo মাদারগঞ্জে হিট স্ট্রোকে আরও একজনের মৃত্যু Logo মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অজ্ঞান Logo মাদারগঞ্জের বেতাগায় পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশু ইয়ামিনের মর্মান্তিক মৃত্যু

এসএসসি পরীক্ষায় সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি

আজকের মাদারগঞ্জ অফিস ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৩:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬০০ বার পড়া হয়েছে

সাইলেন্ট এক্সপেল

আসন্ন এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাগুলোতে একটি সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরব বহিষ্কার ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে। পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নীতিমালায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

‘নীরব বহিষ্কার’ বা সাইলেন্ট এক্সপেল আসলে কী? পরীক্ষা চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থী যদি নিয়ম ভঙ্গ করে (যেমন- অন্যদের সাথে কথা বলা, বারবার পেছনে তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) কিংবা অসদুপায় অবলম্বন করে, তবে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক তাকে সরাসরি কিছু না বলেই বহিষ্কার করতে পারেন। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ওই মুহূর্তে টেরই পায় না যে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে মূল্যায়নের সময় তার উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হয়।

খাতা জমা দেওয়ার নিয়মাবলি: নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীকে নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পেজের ওপরের অংশ (ওএমআর) ছেঁড়া যাবে না। পরিদর্শক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে থাকা একটি গোপনীয় ফর্মে নিজের প্রতিবেদন যুক্ত করবেন। এরপর পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই ওই শিক্ষার্থীর খাতাটি আলাদাভাবে প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপর লাল কালিতে স্পষ্ট করে ‘রিপোর্টেড’ (Reported) লিখতে হবে। পরবর্তীতে কেন্দ্রের অন্যান্য খাতার মূল বস্তা বা বাক্সের ভেতর এই প্যাকেটটি আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে করণীয়: পরিদর্শকের প্রস্তুত করা ওই প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীকে নীরব বহিষ্কার করার সুনির্দিষ্ট কারণ স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে। তবে কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কার হলেও যৌক্তিক কারণেই তাকে পরের পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

কিন্তু পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে ওই শিক্ষার্থী কোনো অপরাধ না করলেও, তার প্রতিটি বিষয়ের সৃজনশীল (কভার পেজ না ছিঁড়ে) এবং নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) খাতাগুলো আলাদা প্যাকেট করতে হবে। সেই প্যাকেটের সাথে আগের পরীক্ষায় তার নীরব বহিষ্কারের কারণ, বিষয় ও পত্রের তথ্য যুক্ত করে একটি প্রতিবেদনসহ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

আরো পড়ুন- 

নিউজটি শেয়ার করুন

এসএসসি পরীক্ষায় সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি

প্রকাশ : ০৩:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাগুলোতে একটি সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরব বহিষ্কার ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে। পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নীতিমালায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

‘নীরব বহিষ্কার’ বা সাইলেন্ট এক্সপেল আসলে কী? পরীক্ষা চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থী যদি নিয়ম ভঙ্গ করে (যেমন- অন্যদের সাথে কথা বলা, বারবার পেছনে তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) কিংবা অসদুপায় অবলম্বন করে, তবে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক তাকে সরাসরি কিছু না বলেই বহিষ্কার করতে পারেন। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ওই মুহূর্তে টেরই পায় না যে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে মূল্যায়নের সময় তার উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হয়।

খাতা জমা দেওয়ার নিয়মাবলি: নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীকে নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পেজের ওপরের অংশ (ওএমআর) ছেঁড়া যাবে না। পরিদর্শক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে থাকা একটি গোপনীয় ফর্মে নিজের প্রতিবেদন যুক্ত করবেন। এরপর পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই ওই শিক্ষার্থীর খাতাটি আলাদাভাবে প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপর লাল কালিতে স্পষ্ট করে ‘রিপোর্টেড’ (Reported) লিখতে হবে। পরবর্তীতে কেন্দ্রের অন্যান্য খাতার মূল বস্তা বা বাক্সের ভেতর এই প্যাকেটটি আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে করণীয়: পরিদর্শকের প্রস্তুত করা ওই প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীকে নীরব বহিষ্কার করার সুনির্দিষ্ট কারণ স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে। তবে কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কার হলেও যৌক্তিক কারণেই তাকে পরের পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

কিন্তু পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে ওই শিক্ষার্থী কোনো অপরাধ না করলেও, তার প্রতিটি বিষয়ের সৃজনশীল (কভার পেজ না ছিঁড়ে) এবং নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) খাতাগুলো আলাদা প্যাকেট করতে হবে। সেই প্যাকেটের সাথে আগের পরীক্ষায় তার নীরব বহিষ্কারের কারণ, বিষয় ও পত্রের তথ্য যুক্ত করে একটি প্রতিবেদনসহ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

আরো পড়ুন-