ওএমআর সংশোধন না করায় ফল বিপর্যয়ের শঙ্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থী ফাইজা
- প্রকাশ : ০৩:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / ৫২২ বার পড়া হয়েছে
জামালপুরের মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকদের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শিকার হয়েছে তহুরা জান্নাত ফাইজা নামের এক তুখোড়, দূরন্ত, মেধাবী শিক্ষার্থী।
এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তাকে অনিয়মিত শিক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র সরবরাহ এবং পরবর্তীতে ওএমআর (OMR) শিট সংশোধন না করায় সেই তুখোড়, দূরন্ত, মেধাবী শিক্ষার্থী ফাইজার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। মাদারগঞ্জ উপজেলার ঘুঘুমারী এমএকেএইচএস (২৪৭) কেন্দ্রে গত বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষার দিন এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ফাইজা মহিষবাথান আর.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থী (রোল নং: ২৩৭৯৪৮)।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কক্ষ পরিদর্শকগণ অসাবধানতাবশত ফাইজার হাতে নিয়মিত প্রশ্নের পরিবর্তে অনিয়মিত (Irregular) শিক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি (MCQ) প্রশ্নপত্র তুলে দেন। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে ফাইজা দায়িত্বরত শিক্ষকদের জানালে তারা ভুল স্বীকার করে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দেন। তবে প্রশ্ন পরিবর্তন করা হলেও ওই উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) শিটটি পরিবর্তন বা সংশোধন করা হয়নি।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী ফাইজার বাবা মোঃ আসলাম ইকবাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার মেয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী হলেও তাকে দেওয়া হয়েছিল অনিয়মিতের প্রশ্ন। পরে প্রশ্ন পাল্টে দিলেও ওএমআর শিট বদলানো হয়নি। এর ফলে কারিগরি কারণে ওএমআর মেশিনে উত্তরপত্রটি ত্রুটিপূর্ণ দেখাবে এবং তার ফল বিপর্যয়ের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।” তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের এই অপেশাদার ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের প্রতিকার চেয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে ফোন করা হলে তিনি জানান পরীক্ষার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । ওনার কাছে অভিযোগ দিয়ে থাকলে উনি বিষয়টা দেখবেন।
আমাদের কাছে অভিযোগটা আসলে আমরা তদন্ত করে দেখব অভিযোগটা সঠিক কিনা তারপর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সুমন চৌধুরীকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তুখোড়, দূরন্ত, মেধাবী শিক্ষার্থী ফাইজার শিক্ষাজীবন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠীরা।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান কে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির দাবি জানান এলাকায় আপামর জনসাধারণ।




















